1. ridowan2424@gmail.com : ridua2z :

November 27, 2020, 3:03 am

এর্ভিন রমেল

ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত, একজন জার্মান ফিল্ড মার্শাল হলেন রমেল।

রমেলের অবদান হিসেবে মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা বলা হলেও তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধেই একজন অত্যন্ত দক্ষ ও সন্মানিত কর্মকর্তা ছিলেন এবং সে সময়ে ইতালীয় ফ্রন্টে বীরত্ব প্রদর্শনের বিনিময়ে তৎকালীন প্রুশিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব পুর ল্য মেরিত অর্জন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিকে ১৯৪০ সালে জার্মানির ফ্রান্স অভিযানের সময় রমেল একটি পান্‌ৎসার ডিভিশানের নেতৃত্বে ছিলেন, মিত্রবাহিনী যে ডিভিশানটিকে রমেলের বিশেষ রণকৌশলের কারণে ‘ভৌতিক ডিভিশান’ আখ্যা দিয়েছিল।

১৯৪০ সালে শুরু হওয়া অপর এক সামরিক অভিযান ‘উত্তর আফ্রিকা অভিযান’ যেটিতে জার্মানি ও ইটালির সৈন্যদের নেতৃত্ব দিয়ে রমেল তার শত্রুদেরই দ্বারা একজন শ্রেষ্ঠ রণকৌশলী হিসেবে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভুমির শিয়াল’ আখ্যা লাভ করেন। উল্লেখ্য ব্রিটিশ ফিল্ড মার্শাল বার্নার্ড মন্টগোমরি উত্তর আফ্রিকার যুদ্ধে প্রতিপক্ষ রমেলের অসাধারণ রণকৌশল ও দক্ষতায় অভিভূত হয়ে তাঁকে এই নামটি দিয়ছিলেন।[১]

এর্ভিন রমেল তার মানবীয় গুণাবলীর কারণে শত্রুদের কাছেও অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ছিলেন কেননা এরূপ মানবীয় গুণাবলী তৎকালীন নাৎসি উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের মাঝে খুব সহজলভ্য ছিলনা। এই কারণে রমেলের নেতৃত্বাধীন আফ্রিকা কর্পস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়নি।

এর্ভিন রমেল ১৮৯১ সালের ১৫ নভেম্বর তারিখে জার্মানির দক্ষিণভাগের হাইডেনহাইম শহরে (বর্তমান জার্মান প্রজাতন্ত্রের বাডেন-ভুর্টেমবের্গ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত, বায়ার্নের সীমান্ত সংলগ্ন) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা যার নিজের নামও ছিল এর্ভিন রমেল, হাইডেনহাইমের নিকটবর্তী আলেন শহরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রোটেস্টান্ট প্রধান শিক্ষক ছিলেন। রমেলের মা হেলেনে ফন লুৎস ছিলেন স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত ব্যাক্তির কন্যা। রমেল চার ভাইবোনের মধ্যে ছিল দ্বিতীয়। রমেলের বাকি ভাইবোনরা ছিল কার্ল, গেরহার্ড ও হেলেনে। রমেল তার শৈশব স্মরণ করতে গিয়ে লিখেছিলেন যে তার ছেলেবেলা অত্যন্ত আনন্দের মধ্য দিয়ে কেটেছিল।

১৪ বছর বয়সে রমেল তার এক বন্ধুর সাথে যৌথ প্রচেষ্টায় একটি পরিপূর্ণ গ্লাইডার বানাতে সক্ষম হন যা সীমিত দূরত্বের জন্য উড়তে পারত। শৈশবে রমেল তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে একজন প্রকৌশলী হওয়াকে স্থির করেছিলেন যা হওয়ার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন চমকপ্রদ নির্মাণকাজ করবেন। কিন্তু বাবার উৎসাহে রমেল ১৯১০ সালে স্থানীয় ১২৪তম ভুর্টেমবের্গ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে একজন অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। সেখান থেকে তিনি উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য ডানৎসিশের অফিসার ক্যাডেট স্কুলে প্রেরিত হন এবং তার বিংশতম জন্মবার্ষিকীতে সেখান থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। রমেল ১৯১২ সালে জার্মান সশস্ত্র বাহিনীতে লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন।

১৯১১ সালে ক্যাডেট স্কুলে থাকা কালীন রমেলের সাথে লুসিয়া মারিয়া মলিনের (জন্মঃ ৬ জুন ১৮৯৪ দানজিগে, মৃত্যুঃ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ ষ্টুটগার্টে) দেখা হয় এবং ১৯১৬ সালের ২৭ নভেম্বর তারিখে তাদের বিয়ে হয়। পরে ১৯২৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর তারিখে রমেল দম্পতির প্রথম ও একমাত্র সন্তান ম্যানফ্রেড রমেলের জন্ম হয়। রমেলপুত্র ম্যানফ্রেড রমেল বর্তমান জার্মানির একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, ক্ষমতাসীন খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন প্রভাবশালী নেতা ও প্রধান শহর ষ্টুটগার্টের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র যে দায়িত্ব মানফ্রেড ১৯৯৬ সালে অবসর নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ বাইশ বছর যাবৎ পালন করেছেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অবদান

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রমেল ফ্রান্সের রণক্ষেত্রে দায়িত্মপ্রাপ্ত ছিলেন। ইটালি ও রোমানিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রেও তিনি নিযুক্ত হয়েছিলেন। প্রাথমিক ভাবে তিনি ৬ষ্ঠ ওয়ার্টেমবুর্গ পদাতিক রেজিমেন্টের অধীনে যুদ্ধ করলেও অধিকাংশ সময়েই বিশেষ সৈন্যদল আলপেনকর্পসে নিযুক্ত ছিলেন। এই বিশেষ দলে থাকাকালীন তিনি তার বেশ কিছু সামরিক গুণাবলীর জন্য খ্যাতি অর্জন করেন, যেমন তিনি খুব দ্রুত ও দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং শত্রুর বিভ্রমের সুবিধা আদায় করে কৌশল ঠিক করতেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি তিনবার আহত হয়েছিলেন যার কারণে তিনি সামরিক খেতাব আয়রন ক্রস, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী লাভ করেন। স্লোভেনিয়ার পাহাড়ী অঞ্চলে ইসোনজো যুদ্ধে অবদানের কারণে তিনি প্রুশিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব পুর লা মেরিতও অর্জন করেন। লোনিয়ারোন যুদ্ধে তিনি তার বাহিনী নিয়ে ইটালির একটি সৈন্যদলকে পরাস্ত করেন। তার ক্ষুদ্র বাহিনীর প্রতিপক্ষ ইটালির বাহিনীটিতে ছিল দেড়শ জন অফিসার, ৯,০০০ এর অধিক সৈন্য ও ৮১টি আর্টিলারি ইউনিট।

ইসোনজোর যুদ্ধে অফিসার রমেল ইটালির সৈন্যদের হাতে বন্দী হন। কিন্তু তিনি তার সামরিক কৌশলাদি ও ইতালিয় ভাষায় বাকপারদর্শিতার মাধ্যমে মাত্র দুই সপ্তাহর মধ্যে শত্রুদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তার নিজস্ব জার্মান লাইনে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যখন জার্মানরা ইটালির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করল, রমেল প্রাথমিক ভাবে এতে বিরক্ত হয়েছিলেন কারণ পূর্ববর্তী যুদ্ধ অভিজ্ঞতার দ্বারা ইটালির সৈন্যদের রণকৌশলে, নেতৃত্বে ও দক্ষতায় দূর্বলতার কথা তিনি ভালোভাবে জানতেন।[২]

দুই মহাযুদ্ধের মধ্যকালীন সময়ে রমেল

রোমেল দক্ষিণ জার্মান বা সোয়াবিয়ান টানে জার্মান ভাষায় কথা বলতেন। তিনি তৎকালীন প্রুশিয়ান ক্ষমতা কুক্ষিগতকারীদের দলে ছিলেন না। তিনি জার্মান আর্মিতে “জেনারেল স্টাফ” এর পদ হেলায় ছেড়ে দেন যেটা ছিল সেনা অফিসারদের উঁচু র‍্যাংকে উঠার সুযোগ। এরচেয়ে তিনি সম্মুখ সমরের অফিসার এর জীবন বেছে নেন। তার যুদ্ধের সময় লেখা ডায়ারি মিলিটারি পাঠ্যবই হিসেবে বিবেচিত হত। তার লেখা হিটলার নিজেই খুব পছন্দ করতেন। ১৯৩৫ সালে তিনি ‘যুব হিটলার’ সংগঠনে তরুনদের গড়ে তোলার দায়িত্ব পান। ১৯৩৮ সালে তিনি কর্নেল উপাধি পান এবং একটি যুদ্ধবিদ্যার একাডেমিতে কমান্ডার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
হিটলার মিত্র আগ্রাসনের হাত থেকে রক্ষার জন্য রোমেলকে উত্তর ফ্রান্সে ফিরিয়ে দেন। শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতার জন্য রোমেলের পরামর্শগুলিতে মনোযোগ দেওয়া হয়নি এবং তিনি হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ের দক্ষতার প্রতি আস্থা হারাতে শুরু করেছিলেন। হিটলারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ঘটনায় জার্মান সরকারকে সম্মতি জানাতে যখন বন্ধুরা কাছে রোমেলের কাছে যোগাযোগ করা হয়েছিল, তখন তিনি রাজি হয়েছিলেন- যদিও হত্যার কোনও স্পষ্ট আলোচনা হয়নি, যা তাকে ঘৃণিত মনে হয়েছিল।
ডি-ডে চালু হয়েছিল, এবং রোমেলের জার্মানির অবস্থানের জন্য বিপর্যয়ের পূর্বাভাস নিজেই খাপ খায়। তবুও হিটলার মিত্রদের সাথে আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করবেন না। রোমেল হাসপাতালে এসে ব্রিটিশ বোমাবাজদের দ্বারা তার গাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে, হত্যার ব্যর্থ হত্যার পরিকল্পনার বিবরণ ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে রোমেলের যোগাযোগ সহ হিটলারের নজরে এসেছিল। রোমেল যখন হার্লিনজেনে নিজের বাড়িতে বেড়াচ্ছিলেন, তখন দুজন জেনারেল তাকে দেখতে গিয়ে তাঁর পছন্দ-বিচার বা আত্মহত্যার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। রোমেল তার স্ত্রী এবং পুত্রকে যা বলেছিল তা জানিয়েছিল এবং জেনারেলরা যে সায়ানাইড ক্যাপসুলগুলি দিয়েছিল সেগুলি গ্রহণ করতে বেছে নিয়েছিল।
জার্মান সরকার রোমেলকে রাষ্ট্রীয় জানাজা দিয়েছিল। তাঁর মৃত্যু যুদ্ধের ক্ষতিকে দায়ী করা হয়েছিল।
এক সময়ের জন্য, এরউইন রোমেল হিটলারের প্রিয় জেনারেল ছিলেন। ১৯৪০ সালে প্যানজার বিভাগের কমান্ডার হিসাবে খ্যাতি অর্জন, যা ফরাসী প্রতিরক্ষাগুলি ভেঙে দেয় (“ব্লিটজ্রিগ, ১৯৪০” দেখুন), রোমেল আফ্রিকা কার্পসকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যেখানে তার কৌশলগত প্রতিভা, তার সেনাবাহিনীকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা এবং সীমিত সংস্থার সর্বোত্তম উপার্জন করার ক্ষমতা , হিটলারের তাকে ফিল্ড মার্শালের পদমর্যাদায় উন্নীত করতে প্ররোচিত করেছিল। 1943 সালে, হিটলার রোমেলের নেতৃত্বে ছিলেন
আফ্রিকার প্রান্তরে রোমেল, 1941
ফ্রান্সের উপকূলে “আটলান্টিক ওয়াল” শক্তিশালী করা – মিত্রদের দ্বারা ইউরোপের অনিবার্য আগ্রাসনকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
হিটলারের অনুমান অনুসারে 1943 সালের শুরুতে, জার্মানির যুদ্ধে জয়ের দক্ষতার প্রতি রোমেলের বিশ্বাস ভেঙে পড়েছিল। জার্মানি সফরে রোমেল মিত্রবাহিনীর বোমা হামলা ও জনগণের মনোবলের বিপর্যয় দেখে হতবাক হয়েছিল। তিনি প্রথম মৃত্যুর শিবির, দাস শ্রম, ইহুদিদের নির্মূলকরণ এবং নাৎসি সরকারের অন্যান্য নৃশংসতাও শিখেছিলেন। রোমেল নিশ্চিত হয়েছিলেন যে জার্মানির পক্ষে জয় একটি হারানো কারণ এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা কেবল তার স্বদেশের ধ্বংসযজ্ঞের দিকে নিয়ে যাবে। তিনি হিটলারের ক্ষমতাচ্যুত ও পশ্চিমা মিত্রদের সাথে পৃথক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এক ক্রমবর্ধমান ষড়যন্ত্রের সদস্যদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
১ July জুলাই, ১৯৪৪ সালে, ব্রিটিশ বিমানগুলি রোমেলের স্টাফ গাড়ি স্ট্র্যাফ করে, ফিল্ড মার্শালকে মারাত্মকভাবে আহত করে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং তারপরে জার্মানিতে তার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল va তিন দিন পর, পূর্ব প্রসিয়াতে তার সদর দফতরে একটি কৌশল সভা চলাকালীন একটি ঘাতকের বোমা হিটলারের প্রায় প্রাণপাত ঘটল। এরপরে ঘৃণ্য প্রতিশোধ নেওয়ার সময়, কিছু সন্দেহভাজন রোমেলকে এই চক্রান্তে জড়িত করেছিল। যদিও তিনি হিটলারের জীবনে প্রচেষ্টা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, তবে তাঁর “পরাজয়বাদী” মনোভাব হিটলারের ক্রোধের পক্ষে যথেষ্ট ছিল। হিটলারের সমস্যা ছিল কীভাবে জার্মান জনগণের কাছে প্রকাশ না করে যে তিনি তাঁর মৃত্যুর আদেশ দিয়েছিলেন জার্মানির সর্বাধিক জনপ্রিয় জেনারেলকে কীভাবে নির্মূল করা যায়। এর সমাধান হ’ল রোমেলকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা এবং ঘোষণা করা হয়েছিল যে যুদ্ধের জখমের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।
a তিনি আমাকে বাহুতে নিয়ে গেলেন এবং জবাব দিলেন: ‘প্রিয় পুত্র, প্রাচ্যে আমাদের শত্রু এতটাই ভয়ানক যে, অন্য প্রত্যেকের বিবেচনার আগেই পথ চলতে হবে। যদি তিনি কেবলমাত্র অস্থায়ীভাবে ইউরোপকে ছাপিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সফল হন তবে এটি সেই সমস্ত কিছুর সমাপ্তি ঘটবে যা জীবনকে জীবনযাত্রার উপযোগী করে তুলেছে। অবশ্যই যাব।
‘ বারোটার অল্প সময়ের আগে, আমার বাবা প্রথম তলায় তার ঘরে গিয়ে ব্রাউন সিভিলিয়ান জ্যাকেটটি বদলেছিলেন যা তিনি সাধারণত রাইডিং-ব্রিচগুলির উপর দিয়ে পরেছিলেন, তার আফ্রিকা টিউনিকে, এটি খোলা কলারের কারণে এটি তাঁর প্রিয় ইউনিফর্ম ছিল।
বারোটার দিকে বার্লিন নম্বরযুক্ত একটি গা dark়-সবুজ গাড়ি আমাদের বাগানের গেটের সামনে থামল। আমার বাবা ছাড়া বাড়ির একমাত্র পুরুষরা ছিলেন ক্যাপ্টেন অলডিংগার [রোমেলের সহযোগী], একজন গুরুতর আহত যুদ্ধ-প্রবীণ কর্পোরাল এবং আমি। দুজন জেনারেল – বার্গডর্ফ, একজন শক্তিশালী ফ্লোরিড মানুষ, এবং ছোট এবং সরু – মাইসেল গাড়ি থেকে উঠে ঘরে প্রবেশ করলেন। তারা শ্রদ্ধেয় ও বিনয়ী ছিল এবং একা তাঁর সাথে কথা বলার জন্য আমার বাবার অনুমতি চেয়েছিল। আমি ও অলডিংগার ঘর ছেড়ে চলে গেলাম। ‘সুতরাং তারা তাকে গ্রেপ্তার করবে না,’ আমি স্বস্তি নিয়ে ভেবেছিলাম, আমি যখন নিজের উপরে একটি বইয়ের সন্ধান করতে উপরে যাচ্ছিলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 a2zbangla.com
Customized BY A2zbangla